বাচ্চা পেটে আসার প্রাথমিক লক্ষন সম্পর্কে জানুন

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক আজকে আমরা বাচ্চা পেটে আসার প্রাথমিক লক্ষন সে সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করব। আপনার মনে যদি বাচ্চা পেটে আসার প্রাথমিক লক্ষন সে সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন জেগে থাকে তাহলে আজকে এই আর্টিকেলের মাধ্যমে বাচ্চা পেটে আসার প্রাথমিক লক্ষন সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
বাচ্চা পেটে আসার প্রাথমিক লক্ষন সম্পর্কে জেনে নিন
কোন সুনির্দিষ্ট লক্ষণ থাকে না গর্ভবতী হওয়ার প্রথম সপ্তাহে । মায়েরা সাধারণত বুঝতেই পারেন না গর্ভবতী হওয়ার প্রথম এক মাস যে তারা গর্ভধারণ করেছে । পিরিয়ড বাদ যাওয়া প্রথম লক্ষণটি গর্ভবতী মেয়েরা খেয়াল করে । গর্ভকালের শুরু ধরা হয় গর্ভবতী নারীর সর্বশেষ মাসিকের প্রথম দিন ।

ভামিকা

মাতৃত্বের স্বাদ একটি পরমপ্রাপ্তি যে কোন মহিলার কাছে । বহু মহিলায় অপেক্ষায় থাকেন এই অভূতপূর্ব অনুভূতিকে তিলে তিলে উপভোগ করতে । মহিলা গর্ভবতী কিনা তা জানার জন্য ঘরে বসে টেস্টের ব্যবস্থা আছে । গর্ভধারণের লক্ষণ হতে পারে দিনের যে কোন সময় বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বমি ভাব । 
এমনটা হয় গর্ভধারণের 30 দিন পর থেকে । এ সময় বৃদ্ধি পায় অ্যাস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের স্তর । এই উপাদান গুলো দেয় সকালে গা গলানো এবং বমি হওয়ার জন্য ।গর্ভধারণের অন্যতম লক্ষণ পিরিয়ড মিস হওয়া । টেস্টিং কিট দিয়ে নিশ্চিত হয়ে নেন বিবাহিত নারীরা পিরিয়ড মিস হলে ।

গর্ভধারণের প্রাথমিক লক্ষণ সমূহ

১.খাবারে অনীহাঃ খুবই স্বাভাবিক গর্ভাবস্থার শুরুর দিকে খাবারে অন ইহা বোধ হওয়া । কোন খাদ্য দ্রব্যের গন্ধ লেগে বমি ভাব নিয়ে আসে খেয়াল রাখবেন পর্যায়ক্রমে এমন হচ্ছে কিনা । কোন স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই এ সময় বমি ভাব বা খাদ্যেও অনীহা ।

আপনার শরীরের ক্রমবর্ধমান ইস্ট্রোজেন হরমোনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া এটা খুব সম্ভবত । আশ্চর্য হবেন না এ সময় আপনার খুব পছন্দের কোন খাবার খেতে বিশদ লাগলেও । এরকমই হয়ে থাকে বরং ।

২.মন মেজাজের উঠানামাঃ স্বাভাবিক এ সময় মন মেজাজের কোন ঠিক ঠিকানা না থাকায় । ব্রেনের অভ্যন্তরে মেসেজ বহনকারী নিউরোট্রান্সমিটারের অভিমানের পরিবর্তন আসে সম্ভবা মায়ের শরীরে এ সময় হরমোন বদলের কারণে ।

বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে এই পরিবর্তন বিভিন্ন জনের । দেশ আবেগীয় অনুভব করেন সম্ভবা মা এ সময় , অনেকে আবার এ সময় বিষন্নতা বা দুশ্চিন্তায় ভোগেন ।

৩.পেট ফুলে যাওয়ার অনুভূতিঃ সন্তান সম্ভবা মায়ের পেট ফেটে যাওয়ার অনুভূতি হয় হরমোন গত পরিবর্তনের কারণে । এই অনুভূতি অনেকটা মাসিক হওয়ার আগ মুহূর্তের । এই সময়ে আপনার মনে হতে পারে কোমরের কাছের বস্ত্র ছোট হয়ে গেছে যদিও কোন পরিবর্তন আসেনি এখন পর্যন্ত আপনার জরায়ুতে ।

৪.ঘন ঘন প্রসাবের বেগ আসাঃ শরীরে যে কয়টি পরিবর্তন আসে তার একটি হলো রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি হরমোনগত পরিবর্তনের কারণে হয়ে থাকে । বারবার প্রস্রাবের বেগ হয় রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধির ফলে । প্রথম টিমেস্টার বা ছয় সপ্তাহের মাথায় দেখা যাবে এই উপসর্গ আপনার। বেশ কিছুদিন চলতে থাকবে এই অবস্থা । এই সমস্যা আরো বাড়তে থাকবে আপনার শরীরে বাচ্চা বড় হওয়ার সাথে সাথে ।

৫.অবসন্ন বোধঃ ক্লান্ত বোধ করছেন মাঝে মাঝেই আচমকা ? কিংবা ভেঙ্গে পড়ছেন ক্লান্তিতে । ক্লান্তির কারণ কি এখন পর্যন্ত ব্যাখ্যা করতে পারেনি সন্তান সম্ভাবনা মার প্রথম দিকে । এই ক্লান্তি বা ঘুমঘুম অনুভূতি দিচ্ছে সম্ভবত প্রোজেস্টেরন হরমোনের ক্রমবর্ধমান প্রবাহ । ক্লান্তি বোধ বাড়াতে কাজ করছে বারবার প্রস্রাবের কারণেও হতে পারে ।

আগের চেয়েও ভালো বোধ করবেন দ্বিতীয় টিমেস্টার শুরুর সাথে সাথে আপনার এ ক্লান্তি বোধ কেটে গিয়ে । আবার ফিরে আসে ক্লান্তিবোধ আপনার গর্ভাবস্থার শেষ দিকে । কারণ আপনি অনেক বেশি ওজন বহন করবেন স্বাভাবিকভাবে এবং সে সময়ে উপসর্গ আপনার রাতের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাবে ।

৬.স্তন কমল ও স্ফীত হওয়াঃ স্তন যুগল বেশ স্পর্শকাতর হয়ে পড়ে গর্ভধারণের পর শরীরে বিশেষ কিছু হরমোন প্রবাহের কারণে , এটা হল গর্ভধারণের আরেকটি চিহ্ন । মাসিক পূর্ববর্তী অবস্থায় ব্যথার মতো স্তনের এই ফুলে ওঠা এবং ব্যথা । প্রথম টিমেস্টারেই শেষ হয়ে যাবে এ ব্যথাযুক্ত অবস্থা কারণ সময়ের সাথে সাথে আপনার শরীর এই পরিবর্তিত অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে নেই ।

৭.বমি বমি ভাবঃ বমি বমি ভাব দেখা দেয় না সাধারণত গর্ভধারণের একমাস আগে । এর ব্যতিক্রম আছে অনেকের আবার গর্ভধারণের দুই সপ্তাহের মাঝে বমি ভাব দেখা দেয় । এই বমি ভাব সাধারণত সকলেরই হয় এই সমস্যার সময়ে মেনে চলেনা অনেকে ।

অর্ধেকের মত গর্ভবতী মহিলা দ্বিতীয় ট্রিমেস্টারের শুরুতে বমি ভাব থেকে মুক্তি পায় আবার অনেকে এই সমস্যা মাস খানেক দীর্ঘায়িত হতে পারে । একেবারে নিরাময় হয় না কখনোই এই বমি ভাব । এ থেকে মুক্তি পেয়ে থাকেন কম সংখ্যক ভাগ্যবতী মা ।

৮.স্পোর্টিং ও সাদা স্রাবঃ নিজেকে জরায়ুর দেয়ালে আটকে নেই সহবাসের পর নিষিক্ত ডিম্বানু । গর্ভধারণের খুব প্রাথমিক সময়ে লক্ষণ স্পোটিং ও মাসিকের ব্যথার মতো ব্যথা হতে পারে বা হওয়া । মাসিকের ব্যাথার সাথে মিলে যাওয়ায় এ সময় ব্যথার ধরন অনেক নারী একে মাসিক মনে করে ভুল করেন ।

তাদের ভুল ধারণাকে মুক্ত করে স্পোটিং বা স্বল্প রক্তপাত । ব্যথা বা রক্ত প্রবাহ খুবই স্বল্প পরিমাণে হয়ে থাকে তাই খুব শিগগিরই তাদের ভুল ভেঙ্গে যায় । সাদা স্রাব দেখতে পারেন এছাড়া মহিলারা এ সময় । সাদাস্রাব হয়ে থাকে ডিম্বানু নিষিক্ত হওয়ার পরে যোনির অভ্যন্তরে পরিবর্তনের কারণে ।

এতে আতঙ্কিত হবার কিছু নেই এই শ্রাব অনেকের ক্ষেত্রে পুরো গর্ব অবস্থায় চালু থাকে । ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া দরকার যদি স্রাবের গন্ধ থাকে এবং জ্বালাপোড়া বা চুলকানির অনুভূতি হয় । এতে করে আপনি নিশ্চিন্ত হতে পারবেন কোন ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হয়েছে কিনা।

৯.শারীরিক তাপমাত্রা বর্ধিতঃ আপনার শরীরের তাপমাত্রা নিয়মিত রেখে থাকেন তাহলে একনাগাড়ে ১৮ দিনের বেশি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা হলে খুব সম্ভবত আপনি গর্ভবতী ।

১০.মাসিক মিস হওয়াঃ আপনি বাসায় বসেই প্রেগনেন্সি টেস্ট করার কথা চিন্তা করতে পারেন মাসিক যদি সঠিক চক্র মেনে চলে এবং ঠিক সময়ে যদি মাসিক না হয় উপরের উপসর্গগুলো দেখা না গেলেও । সিক যদি অনিয়মিত হয় এর ঠিকমতো হিসাব না রাখেন তবে স্তনে ব্যথা বমি ভাব বেশি বেশি বাথরুমে যাওয়ার দেখে খেয়াল করুন ।

আপনি প্রেগন্যান্ট কিনা কি করে বুঝবেন?

পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যাওয়া আমরা জেনেছি গর্ব অবস্থায় প্রথম উল্লেখযোগ্য লক্ষণ। আরো কিছু লক্ষণ উপস্থিত থাকতে পারে কারো কারো ক্ষেত্রে । যেমনঃ স্তনে চাপ দিলে ব্যাথা অনুভব করা , মাথা ঘোরানো , ক্লান্তি অনুভব করা , বমি বমি ভাব লাগা ইত্যাদি । সুনিশ্চিত ভাবে বলা সম্ভব নয় এসব লক্ষণ থাকলেও আপনি যে গর্ভবতী । 
প্রেগনেন্সি টেস্ট করা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি আপনি গর্ভবতী কিনা তা জানার জন্য । আপনি গর্ভবতী কিনা প্রেগনেন্সি টেস্ট ইটের সাহায্যে সহজেই ঘরে বসেই জেনে নিতে পারবেন । আপনি এই কিটগুলো কিনতে পারবেন সাধারণত ওষুধের দোকান বা ফার্মেসি থেকে । তাছাড়া আপনি ডাক্তারের চেম্বারে বা নিকষ্ট কোন ক্লিনিক এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গিয়েও প্রেগন্যান্সি টেস্ট করাতে পারেন ।

প্রেগন্যান্সি টেস্ট করতে হয় মিলনের কতদিন পর?

আপনি প্রেগনেন্সি টেস্ট করে নিতে পারেন যদি কোন মাসের পিরিয়ড বাদ যায় এবং আগের সময়ে নিরাপদ সহবাস করে থাকেন অর্থাৎ কনডম , পিল বাবরি ইনজেকশন ব্যবহার না করে সহবাস করে থাকেন তখন সে ক্ষেত্রে দেখবেন যে নির্দিষ্ট তারিখে পিরিয়ড শুরু হয়নি । আপনি গর্ভধারণ করেছেন কিনা পিরিয়ড শুরু হওয়ার তারিখটি জানা না থাকলে ও 

নিরাপদ সহবাসের কমপক্ষে ২১ দিন পরে টেস্ট করেও আপনি জেনে নিতে পারবেন । গর্ভধারণের নয় দিন পরে আপনি গর্ভবতী হয়েছেন কিনা তা জানা সম্ভব এখনকার যুগে উন্নত প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট এর মাধ্যমে।

কিভাবে করে প্রেগনেন্সি টেস্ট?

প্রেগনেন্সি টেস্ট কিট কিনে নিন পার্শ্ববর্তী ফার্মেসি বা সুপার শপ থেকে তারপর বাসায় প্রেগনেন্সি টেস্ট করার জন্য । প্রেগনেন্সি টেস্ট করা যায় দিনের যেকোনো সময়ের প্রস্রাবের নমুনা নিয়ে । তবে সকালের প্রসাবের নমুনা নিয়ে টেস্ট করা ভালো । সাধারণত কয়েক মিনিটের মধ্যে ফলাফল দেখায় প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিটের উপর প্রস্রাব করার পর । 

একেক রকম কীটের ধরন একেক রকম হয় তাই ব্যবহার করার আগে বক্সের গায়ে লেখা নির্দেশনা ভালো মতো পড়ে নিবেন।

করণীয় কি গর্ভবতী হলে?

গর্ভধারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পর প্রেগনেন্সি টেস্টের মাধ্যমে আপনার প্রাথমিক কারণে হবে একজন স্বাস্থ্যকর্মী বা একজন গাইনি ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে চেকআপ করে সুনিশ্চিত হওয়া এবং সেসব মেনে চলা ডাক্তার যেসব পরামর্শ দেবে ।
  • ফলিক এসিড সেবন করতে হবে গর্ভবতী হওয়ার তিন মাস বা 12 তম সপ্তাহ পর্যন্ত দৈনিক ৪০০ মাইক্রগ্রাম । ট্যাবলেট আকারে পাওয়া যায় ফলিক এসিড।
  • গ্রহণ করতে পারেন দৈনিক১০ মাইকো গ্রাম ভিটামিন ডি ট্যাবলেট ।
  • নানা রকম ইনফেকশনের ঝুঁকি থাকে গর্ভাবস্থায় । এই সময় এড়িয়ে চলা উচিত কাঁচাবা ভালোভাবে সিদ্ধ হয়নি এমন খাবার ।
  • এড়িয়ে চলা উচিত গর্ভের শিশুর সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে ধূমপান , অতিরিক্ত চা কফি পান , মদ পান ইত্যাদি ।

মেয়েরা কিভাবে গর্ভবতী হয়?

মেয়েদের জরায়ুর মধ্যে একটি নিষিদ্ধ ডিম্বাণু প্রতিস্থাপিত হলে গর্ভবতী হয় । এক কথায় বলা যায় একটি শুক্রাণু গড়া ভাষা থেকে নির্গত হয়ে একটি ডিম্বানুকে নিষিদ্ধ করে তখনই একজন নারীর গর্ভধারণ সংঘটিত হয় । ফার্টিলাইজেশন বলা হয় শুক্রাণু ও ডিম্বাণুর মিলনের এ প্রক্রিয়াকে । জরায়ুর দিকে চলে যায় ফার্টিলাইজেশনের পর নিষিদ্ধ ডিম্বাণু ফ্যালোপিয়ান টিউব থেকে । 

এটি ক্রমবদ্ধমান কোষের বিভক্ত হইতে শুরু করে এবং একটি চাকরির নাই আঁকার সৃষ্টি করে যাকে বলা হয় ব্লাস্টোসিস্ট । গর্ভধারণের প্রায় তিন চার দিন পর জড়ায়ুতে প্রবেশ করে এবং দুই তিন দিন পর্যন্ত এখানে অবস্থান করে । সাধারণত গর্ভধারণের প্রায় ছয় দিন পরে শুরু হয় ইমপ্লান্টেশন এবং এটি সম্পন্ন হতে তিন চার দিন সময় নেই । 

যখন একটি নিষিদ্ধ ডিম্বানো জড়াইতে অবস্থান করে তখন এটি কিছু হরমোন নিঃসরণ করে যা জরায়ুর আস্তরণ কে ঝরে পড়া থেকে বিরত রাখে । এজন্যই পিরিয়ড হয় না গর্ভবতী হলে । একজন মায়ের শরীরে গর্ভবতী হওয়ার এই প্রক্রিয়াগুলো শেষে প্রেগন্যান্ট হওয়ার লক্ষণ প্রকাশ পেতে সহবাসের পর অন্তত দুই থেকে তিন সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগেন ।

গর্ভ অবস্থায় খাবার তালিকা

অত্যন্ত জরুরী গর্ব অবস্থায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়া । একটু বেশি সতর্কতার সাথে থাকে মেয়েরা সাধারণত অন্যান্য সময় চাইতে গর্ভা অবস্থায় । বিভিন্ন রকম কাজকর্ম করা চলাফেরা খাওয়া-দাওয়া সবকিছুতেই একটু বেশি সতর্ক থাকে । নিম্নে খাবার তালিকা দেওয়া হলঃ

খেতে হবে নিয়মিত ডিমঃ আমরা সকলেই জানি ডিমে কি পরিমান পুষ্টি উপাদান রয়েছে । প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং ভিটামিন রয়েছে ডিমে । গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ডিম স্বাস্থ্যকর বাচ্চা জন্ম দেওয়ার জন্য । তাই অবশ্যই খাদ্য তালিকায় ডিম রাখতে হবে গর্ভ অবস্থায় ।

কলা খেতে হবেঃ কলা হচ্ছে গর্ব অবস্থায় সেরা খাদ্য । অতি সহজ একটি খাবার কলা খাওয়ার ক্ষেত্রে কোন ঝামেলা নেই । কলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম , ক্যালসিয়াম ভিটামিন বি ৬ এবং আরো অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে ।

মিষ্টি আলু খাবেনঃ শিশুর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান রয়েছে মিষ্টি আলুতে । মিষ্টি আলু রাখতে হবে অবশ্যই খাদ্য তালিকায় ।

চর্বি ছাড়া মাংস খেতে হবেঃ লোহা জাতীয় খাবার প্রয়োজন গর্ব অবস্থায় মায়ের পর্যাপ্ত পরিমাণে । লোহা জাতীয় খাবার খেতে হবে তাই এ সময় । লোহা জাতীয় খাবার হলো মাংস । তাই খাদ্য তালিকায় মাংস রাখতে হবে ।

শস্য দানাঃ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় গর্ব অবস্থায় ভাইবার লোহা ইত্যাদি পুষ্টি উপাদান । প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান রয়েছে শস্যদানার মধ্যে । তাই খাদ্য তালিকায় নিয়মিত শস্যদানা রাখতে হবে ।

বেশি বেশি খাবেন শাকসবজিঃ প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি খাবেন গর্ভ অবস্থায়। শাক-সবজিতে কি পরিমান রয়েছে তা আমরা সকলেই জানি । খাদ্য তালিকায় নিয়মিত শাক সবজি রাখবেন গর্ভাবস্থায় সুস্থ থাকার জন্য এবং সুস্থ সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য ।

আয়োডিনযুক্ত লবণ খাবেনঃ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় গর্ব অবস্থায় আয়োডিন যুক্ত খাবার খাওয়া । লবন ব্যবহার করুন আয়োডিনযুক্ত । উপকারিতা পাবে এতে শিশু ।

টাটকা ফলমূল খাবেন অবশ্যইঃ পুষ্টি উপাদান রয়েছে ফলে প্রচুর পরিমাণে । প্রয়োজনীয় যা একজন গর্ভবতী নারীর জন্য । টাটকা ফল খাবেন তাই গর্ভাবস্থায় নিয়মিত ।

লেখকের মন্তব্য

প্রিয় পাঠক আপনারা এতক্ষণ জানতে পেরেছেন বাচ্চা হওয়ার লক্ষণ সম্পর্কে। আমাদের সকলেরই বাচ্চা পেটে আসা প্রাথমিক লক্ষণগুলো জেনে থাকা ভালো বা প্রয়োজন । এতে করে ঝুঁকি কমে যায় মায়ের এবং বাচ্চার দুজনেরই স্বাস্থ্যের। শেষ পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকার জন্য অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি তার সাথে আপনার এবং আপনার পরিবারের শুভকামনা করে এখানেই শেষ করছি আল্লাহ হাফেজ ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url